1. admin@www.independentbd.news : independentbd.news : News Desk
  2. sheikhnadir81@gmail.com : sk deen mahmud : sk deen mahmud
কপিলমুনিতে অর্থাভাবে ছেলেকে বাঁচাতে মায়ের দেওয়া কিডনি প্রতিস্থাপন হচ্ছেনা - independentbd.news
বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪, ০৫:৫৩ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
কপিলমুনিতে স্বামীকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে স্ত্রীকে ধর্ষণ প্রচেষ্টার অভিযোগ! উপকূলীয় পাইকগাছায় পানিবন্দি সহস্রাধিক পরিবারে সংকট বাড়ছে, অনেক এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ পুণ:স্থাপন হয়নি এখনো ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে নলছিটিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ডুমুরিয়ায় বখাটের হাতে লাঞ্ছিত স্কুল ছাত্রীর আত্নহত্যা! সৈয়দপুরের তিন কৃতি খেলোয়াড়কে উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সংবর্ধনা পৃথিবীর মতো গ্রহের সন্ধান নাসার, বছর হবে ১২.৮ দিনেই প্রধানমন্ত্রী দুর্গত এলাকা পরিদর্শনে যাবেন বৃহস্পতিবার ডুমুরিয়ায় মেরিন ফিসারিজ প্রকল্পের ৫দিনের প্রশিক্ষণ শুরু প্রস্তুতি পর্বে রাতে ফের যুক্তরাষ্ট্রের মুখোমুখি শান্ত-লিটনরা পাকিস্তানে ব্যাপক সংঘর্ষে ৫ সৈন্যসহ নিহত ২৮

কপিলমুনিতে অর্থাভাবে ছেলেকে বাঁচাতে মায়ের দেওয়া কিডনি প্রতিস্থাপন হচ্ছেনা

শেখ নাদীর শাহ্ঃঃ
  • প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ মে, ২০২৪
  • ৫৮ বার পড়া হয়েছে
paikgacha-hazrat-10234

ছেলে হযরত গাজী (২৬) কে বাঁচাতে জরুরী কিডনির প্রয়োজনে মায়ের দেওয়া কিডনি প্রতিস্থাপন করতে পারছেনা অর্থাভাবে। ডায়ালাইসিস’র উপর ভর করে অন্যের মুখাপেক্ষী হয়ে কোন রকম বেঁচে আছে সে। কিডনি প্রতিস্থাপনসহ চিকিৎসা প্রয়োজনে এখনি দরকার ৪/৫ লাখ টাকা। যা যোগাড় করা দরিদ্র চা বিক্রেতা বাবার পক্ষে কোনভাবেই সম্ভব না। এজন্য দরকার অন্যের সহযোগীতা।

খুলনার পাইকগাছা উপজেলার কপিলমুনি ইউনিয়নের রেজাকপুর গ্রামের বাসিন্দা ও কপিলমুনি চা পট্টির দীর্ঘ দিনের চা বিক্রেতা ইসমাইল গাজীর বড় ছেলে হযরত গাজী (২৬)। পিতার ছোট্ট চায়ের দোকানের কর্মচারী ও সহযোগী হিসেবে জীবিকা নির্বাহ হত। দাম্পত্য জীবনে ৯ মাসের এক সন্তানের পিতা।

পারিবারিক সূত্র জানায়, বছর খানেক জন্ডিসে আক্রান্ত হয় হযরত। এর পর চিকিৎসায় ক্রমশ অবনতির দিকে এগুতে থাকে সে। দীর্ঘ দিন তার চিকিৎসা ও ভরণপোষনে পিতা-মাতার সর্বস্ব খুঁইয়ে এত দিন আতœীয়-স্বজনের সহযোগীতা ও ঋণের উপর ভর করে চিকিৎসা ব্যয় ও জীবিকা চলে আসছিল।

সম্প্রতি খুলনার একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর ধরা পড়ে তার দ’ুটি কিডনিই নষ্ট হয়ে গেছে। বর্তমানে ঢাকায় সেন্টার ফর কিডনি ডিজিজেস অ্যান্ড ইউরোলজি হাসপাতাল (সিকেডি) ডায়ালাইসিস করে কোনো রকম জীবন বেঁচে আছে হযরত। ডাক্তাররা বলছেন দ্রত কিডনি প্রতিস্থাপন করতে না পারলে বাঁচানো সম্ভব নয় তাকে। সন্তানের এ করুণ পরিণতিতে তার জীবন বাঁচাতে তার মর্জিনা বেগম তাকে একটি কিডনি দিতে চান। ইতোমধ্যে তারও প্রায় সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। এ জন্য দরকার আরো ৪/৫ লক্ষ টাকা। যা যোগাড় করা তাদের জন্য কোন ভাবেই সম্ভব নয়।

হযরতের মা মর্জিনা বেগম জানান, তার দু’ ছেলের মধ্যে হযরত বড়। বর্তমানে সংসারের একমাত্র উপার্জনক্ষম তার স্বামী ইসমাইল। বড় ছেলের স্ত্রী, তাদের ৯ মাসের সন্তানসহ সংসারে ৬ জন সদস্য। ইতোমধ্যে হযরতের জন্ডিসের চিকিৎসায় সকলেই সর্বশান্ত। সর্বশেষ জানতে পেরেছেন, তার দু’টো কিডনিই নষ্ট। তাকে বাঁচাতে হলে প্রয়োজন একটি কিডনি। আমি মা’ ১০ মাস গর্ভেধারণ তাকে জন্ম দিয়েছি। এখন তাকে বাঁচাতে আমিই তাকে একটি কিডনি দিব। তবে কিডনি প্রতিস্থাপনসহ সামগ্রিক চিকিৎসার জন্য দরকার আরো ৪/৫ লাখ টাকা। যা যোগাড় করা তাদের জন্য একেবারেই অসম্ভব। তাই সকলের কাছে তিনি সাহায্য কামনা করেছেন।

তাকে সাহায্য পাঠানো যাবে বিকাশ-০১৯৬০-৪৩৮২৪৮ নম্বর।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

ওয়েবসাইট নকশা প্রযুক্তি সহায়তায়: ইন্ডিপেন্ডেন্টবিডি আইটি টিম

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত: ইন্ডিপেন্ডেন্টবিডি মিডিয়া কর্পোরেশন লিঃ