1. admin@www.independentbd.news : independentbd.news : News Desk
  2. sheikhnadir81@gmail.com : sk deen mahmud : sk deen mahmud
রাত পোহালেই শহিদ বুদ্ধিজীবি দিবস, জাতির বরেণ্য সন্তানদের হারানোর দিন - independentbd.news
বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪, ০৬:১০ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
কপিলমুনিতে স্বামীকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে স্ত্রীকে ধর্ষণ প্রচেষ্টার অভিযোগ! উপকূলীয় পাইকগাছায় পানিবন্দি সহস্রাধিক পরিবারে সংকট বাড়ছে, অনেক এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ পুণ:স্থাপন হয়নি এখনো ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে নলছিটিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ডুমুরিয়ায় বখাটের হাতে লাঞ্ছিত স্কুল ছাত্রীর আত্নহত্যা! সৈয়দপুরের তিন কৃতি খেলোয়াড়কে উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সংবর্ধনা পৃথিবীর মতো গ্রহের সন্ধান নাসার, বছর হবে ১২.৮ দিনেই প্রধানমন্ত্রী দুর্গত এলাকা পরিদর্শনে যাবেন বৃহস্পতিবার ডুমুরিয়ায় মেরিন ফিসারিজ প্রকল্পের ৫দিনের প্রশিক্ষণ শুরু প্রস্তুতি পর্বে রাতে ফের যুক্তরাষ্ট্রের মুখোমুখি শান্ত-লিটনরা পাকিস্তানে ব্যাপক সংঘর্ষে ৫ সৈন্যসহ নিহত ২৮

রাত পোহালেই শহিদ বুদ্ধিজীবি দিবস, জাতির বরেণ্য সন্তানদের হারানোর দিন

নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২২
  • ২২৩ বার পড়া হয়েছে

১৪ ডিসেম্বর, দেশে সর্বোচ্চসংখ্যক হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়


রাত পোহালেই বুধবার, শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস। দিবসটিকে সামনে রেখে রায়েরবাজার শহিদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে শেষ সময়ে চলছে ধুয়েমুছে পরিষ্কার করার কাজ। আলোকসজ্জায় সজ্জিত করা হচ্ছে স্মৃতিসৌধের ভেতর-বাইরে । সোমবার সরেজমিনে দেখা গেছে, মূল দুটি ফটক বন্ধ রেখে স্মৃতিসৌধ পরিষ্কারের পাশাপাশি মেরামত ও সংস্কারের কাজও চলছে। গণপূর্ত অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে সার্বিক কার্যক্রম তদারকি করা হচ্ছে।

রায়েরবাজার বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের দায়িত্বে থাকা গণপূর্ত অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এমদাদুল হক রিপন জানান, পুরো এলাকার নিরাপত্তার জন্য ৬৪টি সিসি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। আলোকসজ্জার জন্য অন্য বছরের তুলনায় এ বছর লাইট বসানো হয়েছে আরও বেশি।

১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের শেষ মুহূর্তে পাক বাহিনী তাদের পরাজয় অনিবার্য জেনে তালিকা করে তারা জাতির বরেণ্য সন্তানদের হত্যার জন্য তাদের এ দেশীয় দোসর ঘাতক বাহিনী আলবদর-আলশামসকে লেলিয়ে দেয়। পরাজয়ের আগমুহূর্তে তারা চূড়ান্ত আঘাত হানে স্বাধীন বাংলাদেশকে মেধাশূন্য করার অভিপ্রায়ে। মুক্তিযুদ্ধের প্রথম প্রহর থেকে বিজয়ের আগমুহূর্ত পর্যন্ত যেসব বরেণ্য বুদ্ধিজীবীকে আমরা হারিয়েছি, তাদের মধ্যে আছেন অধ্যাপক গোবিন্দ চন্দ্র দেব, মুনীর চৌধুরী, জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতা, ড. মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী, রাশীদুল হাসান, ড. আবুল খায়ের, ড. আনোয়ার পাশা, সিরাজুদ্দীন হোসেন, শহীদুল্লা কায়সার, আলতাফ মাহমুদ, নিজামুদ্দীন আহমদ, গিয়াসউদ্দিন আহমদ, ডা. ফজলে রাব্বী, ডা. আলীম চৌধুরী, আ ন ম গোলাম মোস্তফা, সেলিনা পারভীন প্রমুখ।

যৌথবাহিনীর কাছে পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণের মাত্র দুদিন আগে ১৪ ডিসেম্বর সর্বোচ্চসংখ্যক হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। সেই রাতে ২০০ বুদ্ধিজীবীকে ঢাকায় একত্র করে চোখ বেঁধে নিয়ে যাওয়া হয় শহরের বিভিন্ন স্থানে নির্যাতন সেলে। পরে রায়েরবাজারে নিয়ে হত্যা করা হয়। তাদের স্মরণে ১৪ ডিসেম্বর পালন করা হয় শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস।

পাকিস্তানি দুঃশাসনের দিনগুলোয় আমাদের লেখক, সাংবাদিক, শিল্পী ও বুদ্ধিজীবীরা বিবেকের কণ্ঠস্বর হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তারা অন্যায়ের প্রতিবাদ করেছেন। নিজেদের জ্ঞান-মনীষা ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে জাতিকে পথ দেখিয়েছেন, আলোকিত করেছেন। এসব কারণেই তারা পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসরদের জিঘাংসার শিকার হয়েছেন। এত কম সময়ে এত বেশিসংখ্যক বুদ্ধিজীবী নিধন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ছাড়া আর কখনো বিশ্বের কোন দেশে ঘটেনি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

ওয়েবসাইট নকশা প্রযুক্তি সহায়তায়: ইন্ডিপেন্ডেন্টবিডি আইটি টিম

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত: ইন্ডিপেন্ডেন্টবিডি মিডিয়া কর্পোরেশন লিঃ